Showing posts with label Typography. Show all posts
Showing posts with label Typography. Show all posts

Monday, August 5, 2019

ফ্রি ফন্ট ডাউনলোড করার উপায়


আজকাল গ্রাফিক ডিজাইনার ও ওয়েব ডিজাইনারদের পাশাপাশি সাধারণ ব্যবহারকারীরা তাদের প্রয়োজনে বিভিন্ন স্টাইলের ফন্ট ডাউনলোড করে থাকেন। এখানে কিছু ওয়েবসাইটের ঠিকানা দিলাম যেগুলোতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সাজানো রয়েছে হাজার হাজার ফ্রী ফন্ট। এই সাইটগুলো থেকে আপনি ডাউনলোড করে নিতে পারেন আপনার আপনার পছন্দের ফন্ট। 
১) ১০০১ ফ্রী ফন্ট: www.1001freefonts.com
২) ডা ফন্ট: www.dafont.com
) আরবান ফন্ট: www.urbanfonts.com
৪) এবসট্রাক্ট ফন্ট: www.abstractfonts.com
৫) সার্চ ফ্রি ফন্ট: www.searchfreefonts.com
৬) দ্যা ফন্টশ্যাক: www.fontshack.com/home.php
৭) ফন্ট স্টক: www.fontstock.net
৮) হাই ফন্টস: www.highfonts.com
৯)    ফন্টকিউবস: www.fontcubes.com
১০) গুগল ফন্টস (Google Fonts): https://fonts.google.com

Please browse this link: 

Free Font: ফ্রি ফন্টের ওয়েবসাইটের বিস্তারিত আলোচনা




একটি প্রশ্নের উত্তর:

ছবি থেকে ফন্ট বের করার উপায় কি?

Sunday, August 4, 2019

টাইপোগ্রাফি: যা একজন ডিজাইনারের জানা অত্যাবশক

টাইপোগ্রাফি হচ্ছে খাশ বাংলায় ডিজাইনের ভাষা। ফন্ট চুজিং থেকে শুরু করে তার লাইনের মাঝে গ্যাপ রাখা, ডিজাইনের প্রয়োজন অনুযায়ী ওয়ার্ডগুলোর মাঝেও গ্যাপ রাখা এই পার্ট এর মধ্যেই পড়ে। . একটি ডিজাইন অনেকাংশেই সঠিক ফন্ট চুজিং এর উপর নির্ভর করে।

০১) আপনার ডিজাইনের সাথে মিল রেখে ফন্ট সিলেকশন করতে হবে। যেমন : বেশিরভাগ রেস্টুরেন্ট ডিজাইন এ দেখবেন একটা ফন্ট একটু হ্যান্ড রাইটিং টাইপ নিয়ে বেশি ব্যবহার করে থাকে।

০২) মাত্রাতিরিক্ত ফন্ট ব্যবহার না করাই ভালো। প্রয়োজন অনুযায়ী একটা টাইটেল আর প্যারাগ্রাফ এরজন্য একটি ফন্ট, টোটাল ২টি ফন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। তারপরো চাইলে আরো ১টি নেয়া যায়। তবে এর বেশি ফন্ট ব্যবহার না করাই মনে হয় ভালো।

– একটি ফন্টের অনেকগুলি স্টাইল থাকে যেমন normal, light, semi-bold, bold ইত্যাদি। এরকম একটি ফন্ট ব্যবহার করেই ভাল ডিজাইন করা সম্ভব। দুটি ফন্ট হলে বৈচিত্র আসে, ভাল লাগে। প্রথম প্রথম দুটি ফন্টের ভাল কম্বিনেশন খুজতে কাজে লাগতে পারেhttp://fontpair.co/কিংবা http://www.typegenius.com/

০৩) ট্রাই করবেন গুগোল ফন্ট কিংবা ফ্রি ফন্ট যেগুলো সহজেই কমার্শিয়াল কাজে ব্যবহারকরা যায় তা ব্যবহার করতে। প্রয়োজনে প্রিমিয়াম ফন্ট ও ব্যবহার করতে পারেন। তবে ফন্টগুলোর যেসব স্থানে পাওয়া যাবে তার লিং দিয়ে দিলে ভালো তাই সেটা নোটপ্যাড এ সংরক্ষণ করতে পারেন।

০৪) ফন্টটা যাতে সহজে পড়া যায় সেরকম হওয়া ভালো।

০৫) আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পার্ট হচ্ছে, লাইন-হাইট। একটা লাইনের থেকে তার নিচের লাইনের মাঝে দুরত্বই লাইন-হাইট। আপনি ২টা লাইন লিখলেন, কিন্তু উপর নিচে গ্যাপ না রাখলে তা একটার সাথে আরেকটা লেগে যেতে পারে। সেজন্য এই গ্যাপ টা রাখা উচিত।

০৬) টাইটেল কালার, হেডিং ফন্ট সাইজ অনুযায়ী লাইন-হাইট দেয়া যায় আবার নিজেও ডিফাইন করে দিতে পারেন। . ফন্ট সাইজ গুলো আলাদা ভাবে একসাথে ডিফাইন এবং কালার গুলো একসাথে ঠিক করে নিলে তাতে সময় বাচে।

০৭) ডিজাইনের প্রয়োজনে একটা ওয়ার্ড থেকেও আরেকটা ওয়ার্ড এর দুরত্ব ঠিক করে দেয়া যেতে পারে। সেটা হল: Word spacing or letter spacing.

০৮)টাইটেল হওয়া চাই অর্থবোধক আর প্যারাগ্রাফ টেক্সট খুব বেশি না হওয়াই ভালো।


০৯) একটা বিষয়, সেকশন টু সেকশন গ্যাপ সমান রাখা চাই এবং টাইটেল হেডিং, প্যারাগ্রাপ এবং বাটন আইকন এসবের মাঝেও একটা নির্দিষ্ট পরিমান গ্যাপ রাখা চাই যাতে হিজিবিজি না লাগে।

Thursday, August 1, 2019

গ্রাফিক ডিজাইনে ফন্টের ব্যবহার করবেন কিভাবে?


গ্রাফিক ডিজাইনে কি ধরণের ফন্ট ব্যবহার করবেন, কি ভাবে লিখবেন, কতগুলি ফন্ট ব্যবহার করা যাবে, বোল্ড দিবেন নাকি লাইট, আন্ডারলাইন দিবেন নাকি দিবেন না এই বাপারগুলি অনেক দ্বিধা তৈরি করে তাই এই এই লেখাটা। আশা করছি এটা পড়লে গ্রাফিক ডিজাইন এ লেখার ব্যাপার এর অধিকাংশ সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

কিছু পয়েন্ট দিচ্ছি যা না করার চেস্টা করবেন যারা গ্রাফিক ডিজাইন করছেন অথবা যারা করতে চাচ্ছেন আশা করছি সবার জন্যই কাজে লাগবে।

সব কিছুতে HELVETIA “ ফন্ট ব্যবহার করেন
ঠিক আছে বুঝতে পারছি অনেক জনপ্রিয় একটি ফন্ট এটি সব সময়ের জন্য। আর এটাই হয়ত এই ফন্ট এর পতন এর পিছনের কারন।আর যতই জনপ্রিয় ফন্ট হোক আপনাকে সব অধিকাংশ সময় কেন এটাই ব্যবহার করতে হবে। চেষ্টা করুন সেখান থেকে বের হয়ে আসার জন্য, চেষ্টা করুন এক এ ধরনের ফন্ট বিভিন্ন ডিজাইন এ ব্যবহার করার অভ্যাস পরিহার করতে। শুধু মাত্র উদাহারন হিসেবে rade Gothic, Formata, Futura, Antique Olive, Eurostile এই ফন্টগুলি ব্যবহার করে দেখেন।

লেখাকে ডানে বামে এবং উপরে নিচে টানা
অনেকে ডিজাইন এ জায়গা ফিল করার জন্য লেখাকে টেনে বড় করে, চারপাশ দিয়ে না, ডানে বামে অথবা উপরে নিচে সেটা করলে যা হয় সেটা ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন।এই কাজগুলি ডিজাইনকে নষ্ট করে দেয়। আপনি যে ফন্ট ব্যবহার করলেন সেই ফন্ট আর সেই ফন্ট রইল না তার চেহারা হারিয়ে ফেলল। লেখার পর জায়গা যদি বেশি থাকে তাহলে একটা অক্ষর থেকে আর একটা অক্ষর এর গ্যাপ বাড়ানো যেতে পারে কিন্তু লেখাকে এইভাবে টেনে নষ্ট করার কোন মানে হয় না।

দুই বার করে “Enter” দেয়া
এক লাইন থেকে আর এক লাইন এ দুই বার করে ইন্টার প্রেস করলে লেখার মধ্যে অনেক গ্যাপ থেকে যায়। একটা লাইন থেকে আর একটা লাইন এ গ্যাপ থেকে যায় যার ফলে লেখাগুলিকে ছাড়া ছাড়া মনে হয়, একটার সাথে আর একটার কানেকশন থাকে না। তাই চেষ্টা করবেন লাইন এর মাঝে অতিরিক্ত গ্যাপ না দেয়া।

দুইটা করে স্পেস দেন প্রতিটা লেটার এর পাশে?
আপনি কি প্রতিটা শব্দের পাশে দুইটা করে স্পেস দিচ্ছেন। ভাবছেন কাছাকাছি হয়ে গেলে পড়তে সমস্যা। টা না কিন্তু। একটা শব্দ থেকে আর একটা শব্দতে একবার এর বেশি স্পেস দেয়া ভুল। একটা শব্দ থেকে আর একটা শব্দর মধ্যে একটাই স্পেস হবে।

লিখার পিছনে কালার দিয়ে হাইলাইট করেন?
আমি ধরে নিলাম আপনি সফটওয়্যার এ এই কাজটা শিখেছেন তার মানে কিন্তু এই না আপনাকে এগুলি ব্যবহার করতে হবে। এরকম করলে লিখাটা থেকে পাঠক এর মনোযোগ চলে যাবে। আপনি অন্য ভাবে হাইলাইট করেন, আপনার শিরোনাম অনেক সুন্দর হতে পারে।লিখার মধ্যে সাদা স্পেচ রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন ধরনের ফন্ট ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

সব লেখায় বর্ডার ব্যবহার করেন
যারা সব লেখায় বর্ডার ব্যবহার করেন তাহলে আসলে নিশ্চিত থাকে না তাদের ডিজাইন নিয়ে। আপনাকে সাদা স্পেস ব্যাবহার করতে হবে। তাহলে আসলেই ভালো কিছু হবে।

বুলেট হিসেবে “-“ Hyphen ব্যবহার করা
ডিজাইন এ কোন কিছু পয়েন্ট আকারে দেয়ার প্রয়োজন হলে আপনি hyphen ব্যবহার না করে ডট অথবা এই ধরন এর বুলেট ব্যবহার করার চেস্টা করুন

আপনি কি লিখায় Emboss অথবা drop shadow ব্যবহার করেন
আপনি কি লেখায় হাল্কা একটা drop shadow অথবা emboss ব্যবহার করেন যেটা আপনার সফটওয়ারে আছে? যদি করেন তাহলে সেগুলি করা এখনি বন্ধ করেন। এগুলি করলে আপনার বায়ার বুঝে যায় আপনার ডিজাইন এর হাত অনেক কাঁচা। ডিজাইন এর মধ্যে রংধনুর Gradient ব্যবহার করা, Reflections ব্যবহার করা Comic sans ফন্ট ব্যবহার করা একদম ই আপনাকে প্রোফেসনাল ডিজাইন থেকে দূরে নিয়ে যাবে। তাই এগুলি বন্ধ করে সাধারণ ডিজাইন এর দিকে মনোযোগ দেন আর এটা ভাববেন না সেটা করা অনেক কঠিন আর আপনারটা করা অনেক সহজ।

লেখার নিচে Underline ব্যবহার করা
গ্রাফিক ডিজাইন এ নিয়ম এ underline ব্যবহার এর কথা নিষেধ করা হয়েছে। শুধু মাত্র ওয়েবসাইট এর হাইপারলিঙ্ক এর ক্ষেত্রে এটা ব্যবহার করা যাবে, অন্য কোথাও না।

সব লিখা বড় হাতের অক্ষর
সব লিখাতে বড় হাতের অক্ষর ব্যবহার করলে সেটা পড়তে অনেক কষ্টকর হয়ে যায়। কারন আমরা কোন শব্দ অক্ষর দিয়ে চিনি না, চিনি সেই শব্দের শেপ দিয়ে। যদি একটা শব্দের শব্দগুলি অক্ষর বড় হাতের থাকে তাহলে সব অক্ষর এর শেপ এক সমান হয়ে যায় আর সেজন্য পাঠকদের লিখা বুঝতে হলে একটা একটা অক্ষর পরে বুঝতে হয়ত অনেকটা বানান করা পরার মতো অবস্থা। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অবশ্য বড় হাতের লিখা দেয়া যায় কিন্তু বুঝতে হবে সেটা কোথায় দিচ্ছেন, ভালো হয় লিখাতে বোল্ড ব্যবহার করলে, বিভিন্ন ধরনের ফন্ট ব্যবহার করলে।আরও যদি অন্য রকম করতে চান তাহলে কিছু শব্দকে উল্টিয়ে দিয়া দেখতে পারেন। তবে এটা যেন আবার অবভাশ না হয়ে যায়

বানান ঠিক না করা, গ্রামার এ ভুল করা
বানান ঠিক না করা এবং গ্রামার এ ভুল এ করা অনেক বড় একটা ভুল ডিজাইনদের জন্য। তাই এদিকে খুব ভালো ভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে।

একটা অক্ষর থেকে আর একটা অক্ষরের গ্যাপ
অনেকেই দেখা যায় ডিজাইনকে অন্যরকম করার জন্য একটা অক্ষর থেকে আর একটা অক্ষর এর গ্যাপ দেয় না বললেই চলে। জেতা উচিত না। একটা কথা মনে রাখতে হবে যে গ্রাফিক ডিজাইন এ ডিজাইন সুন্দর দেখা যাচ্ছে শুধু এটা কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ না, গুরুত্বপূর্ণ হল আপনার সেই ডিজাইন দর্শক বুঝতে পারছে কিনা। পরতে গেলে সহজে পরতে পারছে কিনা। যখন একটা শব্দ থেকে আর একটা শব্দের মধ্যে গ্যাপ থাকে না তখন সেটা পরতে সমস্যা হয়, তাই একটা অক্ষর থেকে আর একটা অক্ষর এ গ্যাপ রাখতে হবে।

একটা অক্ষর থেকে আর একটা অক্ষর এ গ্যাপ সমান ভাবে রাখতে হবে
একটা অক্ষর থেকে আর একটা অক্ষর এ গ্যাপ যেমন রাখতে হবে তেমনি সেই গ্যাপ যেন সব জায়গায় সমান থাকে সেদিকে ও লক্ষ্য রাখতে হবে। ডিজাইনকে আকৃষ্ট করার জন্য, তথাকথিত ক্রিয়েটিভ করার জন্য এমন কিছু করা যাবে না যেখানে আপনার মুল ডিজাইন ই নষ্ট হয়ে যায় আর আপনি জানতে ও পারেন না কেন আপনার ডিজাইন বাতিল হল।

আরও কিছু ব্যাপার যেগুলি করা উচিত না সেগুলি ছোট করে পয়েন্ট আকারে দিয়ে দিচ্ছি
১. এক ডিজাইন এর মধ্যে ৩টার বেশি ফন্ট ব্যবহার করবেন না

২. কলাম করে যদি ডিজাইন করেন তাহলে কলাম এর স্পেস এক রকম রাখতে হবে

৩. মুভি পোস্টার এ অনেক বড় করে লাল রঙের হেডিং না দিলে ভালো। অনেক তো হল।

আশা করছি ভালো লেগেছে। একটু হলে ও হয়ত কাজে দিবে। আর সেটাই আমাদের সফলতা। আমরা পরবর্তীতে গ্রাফিক ডিজাইন নিয়ে আরও লিখা দেয়ার চেষ্টা করব,এখন মনে হচ্ছে গ্রাফিক ডিজাইনারদের কিছু খারাপ অভ্যাস নিয়ে একটা লিখা দিব, সেটাও কাজে আসবে আশা করি। আর আপনারা যদি জানান আপনাদের জন্য কোন লিখাগুলি বেশি কাজে লাগবে তাহলে আমাদের জন্য অনেক ভালো হয় আমরা সে অনুযায়ী লিখা দেয়ার চেষ্টা করব। ধন্যবাদ।
BY: আরিফুল ইসলাম

Wednesday, July 3, 2019

টাইপোগ্রাফির গুরুত্ব ও টিউটোরিয়াল


একজন ভালো মানের গ্রাফিক ডিজাইনার হতে হলে Photoshop & Illustrator এ দক্ষ হলেই হবে না, ডিজাইনের কিছু বেসিক নিয়ম জানতে হবে। এর একটি হলো- ★টাইপোগ্রাফি (Typography)
টাইপোগ্রাফি যেকোন ডিজাইনের প্রাণ বলতে পারেন। ভালো টাইপোগ্রাফি ছাড়া ভালো ডিজাইন কল্পনাই করা যায় না। গুগলে সার্চ করে টাইপোগ্রাফি এর উপর অনেক অনেক টিউটোরিয়াল পাবেন। সেগুলো মনোযোগ দিয়ে দেখুন।
এটাও দেখুনঃ 50 top typography tutorials: https://www.creativebloq.com/graphic-design-tips/typography-tutorials-1232719