Thursday, December 6, 2018

সুস্থ থাকি : দুপুরে অফিসে কী খাবেন - By শরিফুল ইসলাম


অফিসে দুপুরে কী খাব? কতটুকু খাব? কর্মজীবীদের প্রায় প্রতিদিন এ নিয়ে ভাবতে হয়। অনেকেরই দুপুরে খাওয়ার পর ঘুম পায়। সে কারণে কেউ কেউ দুপুরে খেতে চান না। মনে রাখতে হবে, দুপুরের খাবার সকালের নাশতার মতোই গুরুত্বপূর্ণ। অফিসে সারা দিন কাজের ব্যস্ততায় দুপুরে বেশি ক্ষুধা লাগে। তাই এ সময় খেতে হয় পুষ্টিকর খাবার। এর পরিমাণ এমন হতে হবে, পেট ভরবে, মনও ভরবে; কিন্তু খাওয়ার পর ভারী বোধ হবে না। দিনের বাকি সময়ে কাজ করার জন্য প্রাণশক্তিও ফিরে আসবে। বারডেম জেনারেল হাসপাতালের পুষ্টি বিভাগের প্রধান আখতারুন নাহার জানান, অফিসে নেওয়ার জন্য সহজে বানানো যায়, খাওয়া যায়, খুব বেশি ঘ্রাণ ছড়ায় না, পর্যাপ্ত পুষ্টিমান নিশ্চিত করে—এমন খাবার নির্বাচন করা উচিত। রুচি বাড়ানো বা ঠিক রাখার জন্য একেক দিন একেক খাবার খেতে পারেন। অফিসে শুকনা খাবার নেওয়া ভালো—নেওয়া সহজ, নষ্টও হয় না। খাবারের পর পর্যাপ্ত পানি পান করা উচিত। দুপুরে শুধু সালাদ খাওয়া ভালো নয়। কারণ, শুধু সালাদ খেলে শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান পাওয়া যাবে না। যত বিকেল হবে, কাজ করার আগ্রহ তত কমে যাবে। কর্মক্ষেত্রে ভাত অল্প খেলে ভালো। এতে ঘুম-ঘুম ভাব আসবে না।
যেসব খাবার অফিসে খাওয়ার উপযোগী

সাদা ভাত: অনেকেই দুপুরে ভাত না খেয়ে থাকতে পারেন না। আবার কারও কারও দুপুরে ভাতের বদলে অন্য কিছু খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হয়। যাঁরা দুপুরে ভাত ছাড়া অন্য কিছু খেতে পারেন না, তাঁরা অফিসে ভাত অল্প খেতে পারেন। ভাতের সঙ্গে সবজি, মুরগির মাংস কিংবা মাছ খেতে পারেন।

রুটি-সবজি: অফিসের জন্য আরেকটি সুবিধাজনক খাবার হলো রুটি-সবজি। বানাতে খুব বেশি সময়ও লাগে না। ডিম-সবজি হলে ভালো, এতে পুষ্টিমান ঠিক থাকে। এ ছাড়া শুকনা খাবার হওয়ায় খেতে খুব বেশি ঝক্কি-ঝামেলাও পোহাতে হয় না। তেমন তেল-মসলা নেই। তাই খাবারের ঘ্রাণে সহকর্মীদেরও সমস্যা হয় না।

নুডলস/ পাস্তা/ চাওমিন: অফিসে দুপুরের খাবারে নুডলস খেতে পারেন। খুব অল্প সময়ে সকালবেলাই রান্না করা যায় এটি। নুডলস-জাতীয় পাস্তা ও চাওমিন নিতে পারেন অফিসে। নুডলস, পাস্তা কিংবা চাওমিনকে পুষ্টিকর করে তোলার জন্য সবজি, মাংস, ডিম ইত্যাদি দিয়ে রান্না করুন। এতে স্বাদও বাড়বে, পুষ্টির অভাবও হবে না।

স্যান্ডউইচ: অফিসে সহজেই খাওয়া যায়, এমন একটি খাবার হলো স্যান্ডউইচ। এটা বানানো খুব সোজা। নিজের স্বাদ ও পছন্দমতো ডিম, মুরগির মাংস কিংবা সবজি দিয়েও স্যান্ডউইচ বানিয়ে নিতে পারেন। সঙ্গে তাজা লেটুসপাতা, শসা, টমেটো ইত্যাদি যোগ করে একে আরও পুষ্টিকর করা যেতে পারে।
সালাদ: যাঁরা ওজন নিয়ে সমস্যায় আছেন কিংবা সালাদ খেতে ভালোবাসেন, তাঁরা অফিসের খাবারে সালাদের পরিমাণ বেশি রাখতে পারেন। অফিসের খাবারে ভাত, রুটি, নুডলস, ডাল—যা-ই খান না কেন, প্রতিদিনের খাবারে চেষ্টা করবেন সালাদের গুরুত্বটা দিতে। সবজি ফলমূল দিয়ে তৈরি সালাদ আপনি ভাত বা রুটির চেয়ে একটু বেশি পরিমাণে খাবেন।
অন্যান্য: দুপুরে যাঁরা ভারী খাবার উপেক্ষা করতে চান, তাঁরা আপেল, কমলা, নাশপাতি ইত্যাদি ফল খেতে পারেন। বাসায় তৈরি সবজির স্যুপও খেতে পারেন। আঁশযুক্ত এই সবজি সারা দিনে যে পরিমাণ ভিটামিন, মিনারেল প্রয়োজন, তা পূরণ করে দেবে।
এ ছাড়া ডেজার্ট যেমন কেক, পুডিং, নানা রকম ফলের মিশ্রণে দই দিয়ে তৈরি অফিসে দুপুরের খাবারে খুব সহজেই খেতে পারেন।

কিছু সতর্কতা

 অফিসে দুপুরের খাবার হিসেবে ভাজা-পোড়া খাবার এড়িয়ে চলুন।

 অফিসে শুঁটকি-জাতীয় খাবার খাওয়া উচিত নয়। কারণ, এর ঘ্রাণ অনেকেই সহ্য করতে পারেন না। তাই সহকর্মীদের অসুবিধা হতে পারে।

 ফল হিসেবে কাঁঠাল অফিসে না আনাই ভালো। কারণ, অনেকেই এর গন্ধ পছন্দ করেন না।

 অফিসে খাওয়ার সময় খাবার ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখা উচিত নয়। খাওয়ার সময় টেবিল কিংবা মেঝেতে খাবার পড়লে সেটা নিজেই পরিষ্কার করে ফেলুন।

Source: https://www.prothomalo.com

Wednesday, December 5, 2018

স্বল্প পুঁজিতে ক্যাটারিং ব্যবসায় নিম্ন আয়ের মানুষ

ছবি- সংগৃহীত
রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত অঞ্চল মতিঝিল। ব্যাংক ও অফিসপাড়া হিসেবে পরিচিত অঞ্চলটিতে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন লাখ লাখ মানুষ। এসব মানুষের একটি বড় অংশ দুপুরের খাবারের জন্য নির্ভর করেন ক্যাটারিং সার্ভিসের ওপর।
কর্মজীবী এসব মানুষকে কেন্দ্র করে অঞ্চলটিতে কয়েকশ’ নিম্ন আয়ের মানুষ গড়ে তুলেছেন বিশাল ক্যাটারিং ব্যবসা। অফিসে অফিসে খাবার সরবরাহ করা এই ক্যাটারিং ব্যবসায় জড়িতদের বড় অংশের বসবাস মতিঝিল সংলগ্ন ফকিরাপুলে।
ক্যাটারিং ব্যবসায় জড়িত এবং তাদের সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০০০ সালের আগে থেকে অঞ্চলটিতে এই ক্যাটারিং ব্যবসা চলছে। তবে ২০০০ সালের দিকে ব্যবসাটি মতিঝিল থেকে ফকিরাপুলে বেশি জনপ্রিয় ছিল। ফকিরাপুলে গড়ে ওঠা প্রেসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কেন্দ্র করে মূলত বাসায় রান্না করা খাবার প্লাস্টিকের বাটিতে করে সরবরাহের মাধ্যমে একশ্রেণির নারী এ ব্যবসা করতেন।
ধীরে ধীরে এ ব্যবসা ফকিরাপুলের গণ্ডি পেরিয়ে ছড়িয়ে পড়ে সমগ্র মতিঝিল, পল্টন অঞ্চলে। অফিসপাড়ায় দুপুরের খাবার সরবরাহের এ ব্যবসা জমজমাট হতে থাকে ২০০৪-০৫ সাল থেকে। বর্তমানে মতিঝিল-পল্টন অঞ্চলের লক্ষাধিক কর্মজীবী মানুষ দুপুরের খাবারের জন্য পুরোপুরি নির্ভর করেন ক্যাটারিং ব্যবসায়ীদের ওপর। এদের কেউ দিন চুক্তিতে, আবার কেউ মাস চুক্তিতে খাবার নিয়ে থাকেন।
ক্যাটারিং ব্যবসায়ীর কাছ থেকে দিন চুক্তিকে দুপুরের খাবার নেন একটি বেসরকারি অফিসের কর্মকর্তা আবদুর রহমান। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের অফিসের ১০ জন প্রতিদিন দুপুরে একজনের কাছ থেকে খাবার নেয়। বাটিতে করে অফিসে এসে খাবার দিয়ে যায়। ভাতের সঙ্গে মাছ অথবা মুরগির মাংস এবং ডাল ও সবজি থাকে। মাঝে মধ্যে খিচুড়ি ভোনাও দেয়। একজনের খাবারের দাম পড়ে ৬০ টাকা।
তিনি বলেন, শুধু আমরা নই, এই বিল্ডিংয়ে ১০০টির বেশি অফিস আছে। প্রতিটি অফিসে ৫-১০ জন বা তারও বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী দুপুরের খাবার এদের কাছ থেকে নেন। সে হিসাবে এই বিল্ডিংয়ে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার মানুষ দুপুরের খাবারের জন্য তাদের ওপর নির্ভর করেন।
দিলকুশার একটি ব্যাংকে কাজ করেন মো. জাফর। তিনি বলেন, মতিঝিল অঞ্চলে যারা চাকরি করেন, তাদের বড় অংশ দুপুরের খাবারের জন্য বাসায় রান্না করে অফিসে অফিসে খাবার সরবরাহকারীদের ওপরে নির্ভরশীল। দিনের টাকা দিনে দিয়ে দেয়ার পাশাপাশি অনেকে মাস চুক্তিতে বাকিতে দুপুরের খাবার খান। মাস শেষে বেতনের টাকা পেলে খাবারের বিল পরিশোধ করেন।
ফকিরাপুলের একটি প্রেসে কাজ করা আনোয়ার বলেন, এক খালার কাছ থেকে আমরা মাস চুক্তিতে দুপুর ও রাতের খাবার নেই। খালা নিজে এসে বা তার ছেলের মাধ্যমে খাবার আমাদের প্রেসে পাঠিয়ে দেন। কোনো দিন ভাত, মাছ ও ডাল। কোনো দিন ভাত, মুরগির মাংস, ডাল আবার কখনও কখনও ভাত, ডিম ও আলু ভর্তা বা ডাল থাকে। প্রতি বেলায় জনপ্রতি খালাকে ৪০ টাকা দিতে হয়।
মতিঝিলের অফিসে অফিসে খাবার সরবরাহ করেন আলেয়া বেগম। তিনি বলেন, আমি প্রায় সাত বছর ধরে খাবার সরবরাহ করছি। প্রথমদিকে গ্রাহক ছিল কম। এখন আল্লাহর রহমতে অনেক ভালো গ্রাহক আছে। অফিসে অফিসে খাবার পৌঁছে দেয়ার জন্য দুজন সহকারীও রেখেছি।
তিনি বলেন, আমরা বাসায় রান্না করি। সুতরাং হোটেলের তুলনায় আমাদের খাবারের মান ভালো এবং দামও কম। যে কারণে, অনেক বড় বড় স্যারও আমাদের কাছ থেকে খাবার নিয়ে থাকেন। আমি যাদের কাছে খাবার বিক্রি করি তারা দিনের টাকা দিনেই দিয়ে দেন। তবে মাঝেমধ্যে কেউ কেউ এক-দুদিন বাকি রাখেনে। পরবর্তীতে টাকা পরিশোধ করেন।

Source: www.jagonews24.com

Sunday, December 2, 2018

ভার্চুয়াল অফিস এবং ভার্চুয়াল অফিস সার্ভিস

ভার্চুয়াল অফিস

মুহাম্মদ আবুল হুসাইন: সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে মানুষের জীবনধারায় এসেছে অনেক পরিবর্তন।সেই সাথে পাল্টে যাচ্ছে আরো অনেক কিছু।তার মধ্যে অন্যতম হলো ভার্চুয়াল অফিস।ভার্চুয়াল অফিস হলো এমন অফিস, যা বিদ্যমান কিন্তু দৃশ্যমান নয়।ভার্চুয়াল অফিস পদ্ধতিতে কর্মীরা সশরীরে অফিসে হাজির না হয়েও ঘরে-বাইরে যেকোনো জায়গায় বসে অনলাইনে কাজ সারতে পারছেন।খ্যাতনামা ইন্টারনেটভিত্তিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ইয়াহুতে একসময় ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে অফিস করার সুযোগ ছিল। 
গতানুগতিক অফিস বলতে আমরা বুঝি এমন একটি অফিস যার একটি দৃশ্যমান স্থাপনা থাকবে।অর্থাৎ নিজস্ব বা ভাড়া করা একটি বিল্ডিং বা কমপক্ষে এক বা দুটি রুম থাকবে, ফার্নিচার থাকবে, লাইট-ফ্যান, এসি, কম্পিউটার প্রিন্টার ইত্যাদি থাকবে এবং সেখানে স্টাফরা একসাথে বসে কাজ করবে।
গতানুগতিক ধারণায় ব্যবসা শুরু করার পর প্রথমেই বিরাট একটা অংশ খরচ হয়ে যায় অফিস সেট আপ করতে। তারপর অফিস ও অফিস স্টাফ চালানোর খরচ। সেটা আপনার ব্যবসায় লাভ হোক আর নাই হোক। তাই ব্যবসার ইচ্ছে থাকলেও অফিস স্টাব্লিশমেন্ট কস্ট'র কারণে অনেকে সেটা প্রফেশনাল ভাবে করতে পারছেন না; ব্যবসার আইডিয়া যত ভালই হোক না কেন।
কিন্তু নানা বাস্তবতার কারণে কর্মক্ষেত্রের এই গতানুগতিক ধারণায় পরিবর্তন এসেছে।এখন চালু হয়েছে ভার্চুয়াল অফিস, যা ওয়ার্কস্পেস শিল্পেরই একটি অংশ, কিন্তু এটি একই সাথে নমনীয় এবং যুগোপযোগি।এরফলে শুধু যে উদ্যোক্তাদের অফিস স্টাব্লিশমেন্ট কস্ট বাবদ মূলধনের একটা বিরাট অংশ বেঁচে যায় তাই নয়, যানজটের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ায় স্টাফদের কর্মঘন্টার সাশ্রয় হওয়ার পাশাপাশি ভোগান্তিও কমে যায়।বিশেষ করে ডিজিটাল প্রযুক্তির উন্নয়নের কারণে বিশেষ করে মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবার সহজলভ্যতার কারণে এখন ভার্চুয়াল যোগাযোগ সহজ হওয়ায় মানুষ বিভিন্ন অবস্থানে থেকেই একে অপরের সাথে যোগাযোগ ও সেবার আদান প্রদান করতে পারার কারণে ভার্চুয়াল অফিসের প্রবণতা বৃদ্ধি পায়।এর 
ফলে দ্রুত বিস্তার লাভ করছে ই-কমার্স বিজনেস। ভার্চুয়াল অফিসের জনপ্রিয়তা যত বৃদ্ধি পাবে গণপরিবহণের উপর চাপও তত হ্রাস পাবে।সেই সাথে বৃদ্ধি পাবে কাজের গতি।

ভার্চুয়াল অফিস সার্ভিস


ব্যবসা শুরু করার পর প্রথমেই বিরাট একটা অংশ খরচ হয়ে যায় অফিস সেট আপ করতে। তারপর অফিস ও অফিস স্টাফ চালানোর খরচ। সেটা আপনার ব্যবসায় লাভ হোক আর নাই হোক। তাই ব্যবসার ইচ্ছে থাকলেও অনেকে সেটা প্রফেশনাল ভাবে করতে পারছেন না। কারণ আপনার ব্যবসার আইডিয়া যত ভালই হোক না কেন। যদি আপনার কোন অফিস না থাকে তাহলে কেউই আপনাকে গুরুত্ব দিবে না। আর সেটা মাথায় রেখেই আমার আপনাকে একটা খুবই নামমাত্র মূল্যে ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে ভার্চুয়াল অফিসের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।
ভার্চুয়াল অফিসের সার্ভিস সমূহঃ

আপনার নিজস্ব অফিসের মতো ঠিকানা ব্যবহার করতে পারবেন।
অফিসিয়াল মিটিং করতে পারবেন।
সকল চিঠিপত্র যা আপনার নামে আসবে তা সাথে সাথে আপনাকে অবহিত করা হবে।
অভ্যর্থনাকারী আপনার হয়ে অফিস সময় ১০-৬ টা আপনার প্রদত্ত তথ্য প্রদান ও গ্রহন করবে।

ভার্চুয়াল অফিস সার্ভিস ব্যবহার করলে হাজার হাজার টাকা দিয়ে আপনাকে অফিস ও অফিস স্টাফ রাখতে হবে না।
:::::::::::::::::::::: আপডেট ::::::::::::::::::::::::
ভার্চুয়াল অফিস সার্ভিস হল। মাসে একটি নির্দিষ্ট সার্ভিস চার্জ দিয়ে একটি অফিস ও স্টাফ ব্যবহার করা। নিউ ডিওএইচএস মহাখালীতে আমাদের ১৫০০ বর্গফুটের ফার্নিশ অফিস ও স্টাফ আছে। যেটা আপনি আপনার অফিস হিসাবে ব্যবহার করেত পারবেন। আপনি ক্লায়েন্টদের সাথে মিটিং করতে পারবেন। আপনার কোন প্রডাক্ট যদি ডিসপ্লে করার প্রয়োজন হয় সেটা করতে পারবেন। একটি টিএন্ডটি ফোন আছে। যা আপনি আপনার মত ব্যবহার করতে পারবেন। রিসিপশনিষ্ট আপনার হয়ে আপনার দেয়া যাবতীয় তথ্য প্রদান করবে। এক কথায়, আপনি যদি একটি অফিস ভাড়া নিয়ে স্টাফ নিয়োগ দিয়ে, যা যা সুবিধা পেতেন। সেই সকল সুবিধাই আপনি ভার্চুয়াল অফিস সার্ভিস এর মাধ্যমে পাবেন। প্রয়োজনে আমাদের অফিস ভিজিট করতে পারেন। ঠিকানা রোড় – ২১, বাড়ী ৩১৩ এ, নিউ ডি ও এইচ এস, মহাখালী, ঢাকা। মেইল : gazirumi@ymail.com
কল দিবেন যে কোন কর্মদিবসে দুপুর ২.০০ – ৫.০০ টা ফোন : ০১৭০৩৫৫০১৮৯